Showing posts with label গাজীপুর. Show all posts
Showing posts with label গাজীপুর. Show all posts

Thursday, May 19, 2016

গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি মিউজিয়াম থাকা আবশ্যক!!

গাজীপুর ডিসি অফিসের পাশে গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি "মিউজিয়াম" থাকা আবশ্যক। সেই সাথে সরকারী- বেসরকারি বিনিয়োগে গাজীপুরের প্রত্নস্থানগুলি সংস্কার ও সংরক্ষণ করে পিকনিক স্পট, শিক্ষা ও বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

প্রত্নস্থানগুলি হলো... 
  • ভাওয়াল রাজবাড়ীর কিছু অংশ- (এটি আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • শ্রীপুর, মাওনার নিকট ইন্দ্রাকপুর (প্রাচীন রাজধানী)- এটা প্রায় ১১শত বছরের পুরনো।
  • বলধার জমিদার বাড়ী, বাড়ীয়া- (এটা আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • টোক শাহী মসজিদ, কাপাসিয়া- (এটা প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো)।
  • পূবাইল জমিদার বাড়ী, পূবাইল- এগুলো অনু:২৫০ বছরের পুরনো)।
  • সেন্ট নিকোলাস চার্চ, কালীগঞ্জ- (অনু: তিনশত বছরের পুরনো)।
  • বলিয়াদী জমিদার বাড়ী -(আড়াইশত বছর)।
  • ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী- (আড়াইশত বছর),জয়দেবপুর।
  • শৈলাট, শ্রীপুর- (১১ শত বছরের পুরনো)।
  • কাশিমপুর জমিদার বাড়ী, গাজীপুর সদর-(আড়াইশত বছর)।
  • দত্তপাড়া জমিদার বাড়ী, টঙ্গী- (আড়াইশত বছর)।
  • কপালেশ্বর (ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরাকীর্তি)-১১শত বছরের পুরনো।
  • রাজা শিশু পালের রাজধানী একডালা দুর্গ, কাপাসিয়া-(১২শত বছরের পুরনো)।
  • মীর জুমলার সেতু, টঙ্গী- (সারে তিনশত বছরের পুরনো)।
  • সাকাশ্বর স্তম্ভ, কালিয়াকৈর- এটা আড়াই হাজার বছরের পুরনো, সম্রাট আশোকের আমলে নির্মিত


এছাড়া কাপাসিয়াতে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ বছররের পুরনো স্থাপনা উদ্ধার করে পর্যটনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এসব পুরাকীর্তির পাশেই আছে ঐতিহাসিক দীঘি। এগুলো সংস্কার করে অতীতকে উদ্ধার করা হোক এবং গাজীপুর জেলাকে পর্যটন জেলায় রূপান্তরিত করা হোক।

তথ্য সংগ্রহঃ জাকির হোসাঈন

Sunday, May 15, 2016

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর | বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কের ইতিহাস
ভাওয়াল গড়ের ছোট ছোট টিলা (চালা) ও নীচু ভূমি (বাইদ) সমৃদ্ধ শালবনে দেখা যেত আমলকি, বহেড়া, হরিতকী, করই, শিমূল, হলদু, পলাশ, চাপালিশ, কুসুম, পিতরাজ, উদাল এবং বিবিধ লতাগুল্মরাজি। এ বনে দেখা যেত মায়া হরিণ, চিতাবাঘ, বন বিড়াল, গন্ধগকুল, শিয়াল, সজারু, অজগর, বানর, হনুমানসহ অসংখ্য প্রজাতির পাখি। শালবনে প্রায় ৬৩ প্রজাতির গাছপালা ও ২২০ প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যেত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ন, শিল্পায়ন, বন ধ্বংস করে কৃষি জমির বিস্তার, আবাসন, জবরদখল ও ভূমি বিরোধের কারনে শাল বনের অস্তিত্ব দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। বন্যপ্রাণী প্রাকৃতিক পরিবেশ, খাদ্যচক্র ও জীববৈচিত্র্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষের অস্তিত্বের জন্য বন্যপ্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ইকোট্যুরিজমের উন্নয়ন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ, শিক্ষা, গবেষণা ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ভাওয়ালগড় এলাকায় ‘‘সাফারী পার্ক’’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়।

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন মাওনা ইউনিয়নের বড় রাথুরা মৌজা ও সদর উপজেলার পীরুজালী ইউনিয়নের পীরুজালী মৌজার খন্ড খন্ড শাল বনের ৪৯০৯.০ একর বন ভূমি ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে পরিচিত। এর মধ্যে ৩৮১০.০ একর এলাকাকে সাফারী পার্কের মাস্টার প্ল্যানের আওতাভূক্ত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১০ সালে ৬৩.৯৯ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয় এবং পার্ক প্রতিষ্ঠা কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২০১১ সালের ২ ফেব্র“য়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্পের শুরুতে কোন মাষ্টার প্লান প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আন্তর্জাতিক মানের সাফারী পার্কে উন্নীত করার লক্ষ্যে একটি মাষ্টার প্লান তৈরী করা হয়। মাষ্টার প্লানে বর্ণিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও ভূমি অধিগ্রহনের জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ৪ অক্টোবর ২০১১ তারিখে ’’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর (১ম সংশোধিত) প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক বর্ধিত আকারে ২১৯.৮৯ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে অক্টোবর / ২০১৩ মাসে একনেক কর্তৃক ২৬৩.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ” বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব সরকারী পার্ক , গাজীপূর (২য় সংশোধন) প্রকল্প পাশ হয় ।

সাফারী পার্কটি দক্ষিণ এশীয় মডেল বিশেষ করে থাইল্যান্ডের সাফারী ওয়ার্ল্ড এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার বালি সাফারী পার্কের কতিপয় ধারনা সন্নিবেশিত করা হয়েছে। সাফারী পার্কের চারদিকে নির্মাণ করা হচ্ছে স্থায়ী ঘেরাা এবং উহার মধ্যে দেশী/বিদেশী বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি ও অবাধ বিচরণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে পর্যটকগণ চলমান যানবাহনে অথবা পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করে শিক্ষা, গবেষণা ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ লাভ করবেন। সাফারী পার্কের ধারনা চিড়িয়াখানা হতে ভিন্নতর। চিড়িয়াখানায় জীবজন্তুসমূহ আবদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং দর্শনার্থীগণ মুক্ত অবস্থায় থেকে জীবজন্তু পরিদর্শন করেন। কিন্তু সাফারী পার্কে বন্যপ্রাণীসমূহ উন্মুক্ত অবস্থায় বনজঙ্গলে বিচরণ করবে এবং মানুষ সতর্কতার সহিত চলমান যানবাহনে আবদ্ধ অবস্থায় জীবজন্তুসমূহ পরিদর্শন করবেন।

অবস্থান ও আয়তন
ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে সাফারী পার্কটির অবস্থান। সাফারী পার্কের আয়তন ৩৮১০.০ একর। এর মধ্যে ৫৫০ একর ব্যক্তি মালিকানাধী ভুমি রয়েছে যা অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে। বর্তমানে ৩৪০০.০ একর এলাকায় প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। অবশিষ্ট এলাকা পর্যায় ক্রমিকভাবে উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।

ঐতিহাসিক পটভূমি
গাজীপুরের শাল বন ঐতিহাসিকভাবে ভাওয়াল রাজার জমিদারী অংশ হিসেবে খ্যাত ছিল। ১৯৫০ সলের জমিদারী উচ্ছেদ ও প্রজসত্ব আইন জারীর পর শালবনের ব্যবস্থাপনা বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়। তবে অধিকাংশ চালা জমির শালবন সমৃদ্ধ বনভূমি বিধায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বাইদ জমি ব্যক্তিমালিকানাধীন। শালবন ঢাকার অতি নিকটে হওয়ায় দ্রুত শিল্পায়ন, জবর দখল, গো-চারণ ও ভূমিদস্যুতার কারণে শালবনের জীববৈচিত্র্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। শিল্পকারখানা হতে নিঃসরিত বর্জের কারণে জীববৈচিত্র্য মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

সাফারী পার্কের মূল উদ্দেশ্য
(১) শাল বনের বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ।
(২) বাংলাদেশের বিরল ও বিলুপ্ত প্রায় বন্যপ্রাণীকে নিজ আবাসস্থলে (in-situ) এবং আবাসস্থলে বাহিরে (ex-situ) অবস্থায় সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সাধন ।
(৩) ঢাকা মহানগরীর অতি নিকটে ইকো-ট্যুরিজমের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ।
(৪) চিত্তবিনোদন, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা ।
(৫) বন্যপ্রাণীর খাদ্য উপযোগী ফলজ, ফডার, ও মিশ্র প্রজাতির বাগান সৃজন ।
(৬) শালবনের বন্যপ্রাণী যেমন বানর, মায়া হরিণ, বেজী, বনরুই, বাঘদাস, বন বিড়াল, খড়গোশ, শিয়াল, খেকশিয়াল ও অজগরসহ বিপন্ন বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল সৃষ্টি ও সংরক্ষণ করা ।
(৭) বিরল ও বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন বাঘ, চিতাবাঘ, সাম্বার হরিণ, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, প্যারা হরিণ এবং অন্যান্য তৃণভোজী বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও বংশবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা ।
(৮) গণ্ডার, এশীয় হাতী, পরিযায়ী পাখী, জলজ পাখী, বনছাগল, সিংহ, শ্লথ বীয়ার, কালো ভাল্লুক, মিঠা পানির কুমির, লোনা পানির কুমির, নীল গাই, জলহস্তী ইত্যাদি বিপন্ন ও বিলুপ্ত বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণকরন ।
(৯) আহত ও উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীর চিকিৎসার নিমিত্তে বন্যপ্রাণীর সেবাশ্রম ও হাসপাতাল স্থাপন ।
(১০) সারাদেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি।

পর্যকটগণ যা উপভোগ করবেন
১.   তথ্য ও শিক্ষা কেন্দ্রে ভিডিও ব্রিফিং/প্রামাণ্য চিত্রের মাধ্যমে সাফারী পার্ক সম্পর্কে সাম্যক ধারণা নিতে পারেন।
২.   ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি বৈচিত্র্য সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকগণ পরিচিতি লাভ      করতে পারেন।
৩.   প্রটেকটেট মিনিবাসে চড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে বিচারণরত বাঘ, সিংহ, হাতী, সাম্বার, মায়া হরিণ,চিত্রা হরিণ, বানর, হনুমান, ভল্লুক, গয়াল, কুমির ও বিচিত্র পাখী দেখাতে পাবেন।
৪.   লেকের ধারে দেখতে পাবেন অসংখ্য অতিথি ও জলজ পাখী।
৫.   পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠে বনাঞ্চলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য ও বন্যপ্রাণী অবলোকন করতে পারবেন।
৬.   পাখীশালায় দেখতে পাবেন দেশী-বিদেশী অসংখ্য পাখী।
৭.   বেস্টনীতে বিরল প্রজাতির প্যারা হরিণ ও
৮.   রাত্রি যাপনের জন্য রাখছে বিশ্রামাগার।

পর্যটকদের জন্য অনুসরণীয়
১.   পলিথিন ও অপচনশীল পদার্থ যত্র-তত্র না ফেলে ডাস্টবীনে রাখুন।
২.   সিগারেটের প্যাকেট, পরিত্যক্ত কাগজ, নষ্ট ব্যাটারী, লাইটার ও বিস্কুট, চানাচুর প্রভৃতির প্লাস্টিকের মোড়ক যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
৩.   বাঘ ও সিংহের বেস্টনীতে চলন্ত গাড়ী হতে না নামা।
৪.   কোমল ও বিশুদ্ধ পানীয় বোতল জঙ্গলে না ফেলা।
৫.   মাইক বাজানো, বাজি বা পটকা ফোটানো, গান-বাজনা ও দলবদ্ধভাবে হৈ-চৈ না করা।
৬.   বিশ্রামাগার ব্যবহার করতে হলে আপনাকে পূর্ব থেকে বুকিং নিতে হবে।
৭.   পূর্বেই টিকেট কাউন্টার হতে টিকেট ক্রয় বাঞ্চনীয়।
৮.   বন্যপ্রাণীকে যেকোন ধরণের খাবার প্রদান থেকে বিরত থাকবেন।
৯.   বাইরের কোন খাবার পার্কের ভিতরে না নেওয়া।

Bangabandhu Sheikh Mujib Safari Park, Gazipur

The largest Safari Park in Asia ‘Bangabandhu Sheikh Mujib Safari Park’ Bangladesh. The Park is in Gazipur district which is just near to Dhaka city.
From Dhaka to park distance nearby 40KM (Kilometres) in Bagher Bazar, The Bagher Bazaar is Dhaka Mymensingh highway after pass Joydobpur (Gazipur) Chowrasta, then go forward along the Mymensingh road and come to Bagher Bazaar then you have to choose the path (road) of west side. You have to use auto Rickshaw or CNG as transports to reach at the park. Bangabandhu Safari Park is three kilometres away from Bagher Bazaar. After getting inside the park, you will see
Tiger,
Lion,
Kangaroo even Dinosaur also(but these are not alive).

All of these animals are statue indeed for welcoming the visitors. The whole park is consists of about 4000 acres of land. Recently  Dof (Department of  Forest) released Tiger, Lion, White Lion, Bear, Maya Deer, Sambar Deer, Zebra, Giraffe, Wild Coast, Camel, Emu etc to attract local and International visitors. In the park, they have set up a lot of things like
Information And Education Centre,
Nature History Museum,
Park Office,
Rest Room, Dormitory,
Wild Life Hospital,
Crocodile Park,
Lizard Park,
Fancy Duck Garden,
Crown Figent Aviary,
Parrot Aviary,
Dhonesh Aviary,
Macaws Land,
Marine Aquarium,
Orchid House,
Butterfly Garden,
Climate House,
Vulture Corner,
Pending Bridge,
Monitoring Tower,
Fountain,
Tiger Observation Restaurant,
Tortoise Breeding Centre,
Eco-Resort,
Food Court,
Elephant Show Gallery,
Bird Show Gallery And
Child Park.

Here is arrangement of bus and zip service for visitors (local & international)
Entrance Time: 9AM to 5PM everyday. Weekend: Tuesday.
Entry Fees: Adult BDT -50.00, Kids BDT-20.00, Foreigner BDT-400.00
Foods: Inside the parks have food arrangement with good restaurant, you can take your food from here (it’s little expensive).
Outside food is not allowed inside the park.
More Info:
* Safari by AC Bus: 100 Tk (The bus will take you into the Lion and Tigers area).
* Living with Bird: 10 Tk
* Living in the Jungle: 10 TK
* Paddle Boat riding: 50 TK
* CNG and Auto available there. You can go there by Taxi or private car also.
* Auto: Fare Tk. 20-30 per person (From Bager bazaar to Park area).
* Private Car parking : Tk 100.00 per car.



Information from- Bangabandhu Sheikh Mujib Safari Park, Gazipur

Saturday, May 7, 2016

ভাওয়াল বীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার এর জীবনী

ভাওয়াল্ বীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার একজন প্রকৃত  দেশপ্রেমিক, রাজনীতিবিদ,  
শ্রমিক নেতা এবং সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন । বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে তিনি সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন জুন, ১৯৯৬ এবং আক্টোবর ১, ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অস্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ গাজীপুর-২ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী শ্রমিকলীগের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন।

জন্ম ও পরিবারঃ ১৯৫০ সালের ৯ নভেম্বর, তৎকালীন গাজীপুর জেলার পুবাইল ইউনিয়নের হায়দরাবাদ গ্রামে সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন আহসানউল্লাহ।মাতা বেগম রোসমেতুন্নেসা ও বাবা পীর সাহেব শাহ সূফি আবদুল কাদের পাঠান। শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের বড় ছেলে জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ও ছোট ছেলে  জাবিদ আহসান সোহেল (১২ই জুলাই ২০১৩ ইং  সনে ৩৩ বছর বয়সে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন )।


শিক্ষা ও কর্মজীবনঃআহসান উল্লাহ মাষ্টার এর শিক্ষাজীবন শুরু হয় নিজ গ্রামের হায়দরাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষাজীবন শেষ করে টঙ্গী হাইস্কুলে ভর্তি হন তিনি। আহসানউল্লাহ ১৯৬৫ সালে এসএসসি পাস করে তৎকালীন কায়েদে আযম কলেজে (বর্তমান শহীদ সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজ) একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৯৭০ সালে ডিগ্রি পাস করার পর আহসানউল্লাহ টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া হাইস্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীকালে তিনি ওই স্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষক (১৯৭৭-১৯৮৪) ও প্রধান শিক্ষকের (১৯৮৪-২০০৪) দায়িত্ব আমৃত্যু যোগ্যতার সঙ্গে পালন করেন। আহসানউল্লাহ মাস্টার টঙ্গী শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।রাজনৈতিক জীবনঃ১৯৬২ এ হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন এর বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার রাজনীতিতে হাতেখড়ি। রাজনীতির লড়াকু সৈনিক হিসেবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে উঠতে থাকে। তিনি পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে রাজনীতি চালিয়ে যেতে থাকেন। ১৯৬৮ সালে তথাকথিত আগরতলা মামলায় বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অভিযুক্ত করে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বাঙালীর স্বাধিকার আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত করে। ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পরিচালনার জন্য তহবিল সংগ্রহ করার নিমিত্তে টঙ্গী-জয়দেবপুরের জন্য যে কমিটি গঠিত হয়েছিল, সেই কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন আহসান উল্লাহ মাস্টার। তিনি কমিটির অন্য সদস্যদের সঙ্গে ‘মুজিব তহবিল’-এর জন্য প্রতিটি কুপন ১০ পয়সা করে বিক্রয় করেন। ১৯৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ এর এগার দফার আন্দোলনে সক্রিয় সদস্য ছিলেন তিনি । ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ জয়দেবপুরের ক্যান্টনমেন্টের বাঙালী সৈন্যদের নিরস্ত্র করতে ঢাকা থেকে আসা পাকিস্তানী বাহিনীকে ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দেয়ার জন্য জনতাকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ডাক দেন বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার আগে তিনি পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে আটক হন এবং নির্যাতিত হন। আহত অবস্থায় আহসান উল্লাহ মাস্টার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার আগে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে আটক ও নির্যাতিত হয়েছিলেন। ভারতের দেরাদুনের তান্দুয়া থেকে গেরিলা ট্রেনিং নিয়ে পুবাইল, টঙ্গী,  ছয়দানাসহ বিভিন্ন জায়গায় গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ – করেছিলেন।১৯৮৩ এবং ১৯৮৮ সালে তিনি পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯০ সালে তিনি গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জাতীয় শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ,সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) চেয়ারম্যান ছিলেন।ছিলেন।শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালে শ্রমিকদের জন্য ৯টি বস্ত্রকল নামমাত্র মূল্যে সমবায় সমিতির মাধ্যমে পরিচালনা করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। তিনি ১৯৮৩ সাল, ১৯৮৪ সাল, ১৯৮৭ সাল, ১৯৮৮ সাল ও ১৯৯০ সাল, ১৯৯৫ সাল, ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক পটভূমিতে শ্রমজীবী নেতা হিসেবে যে ভূমিকা রেখেছিলেন তা গর্ব করার মতো। তিনি শিক্ষকদের নেতা ছিলেন। টঙ্গীর শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের সব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে সবার প্রিয়ভাজন হয়েছেন। কিন্তু আমাদের ট্র্যাজেডি হচ্ছে যে স্কুলে তিনি প্রধান শিক্ষক, সেই স্কুলের বিজ্ঞান ভবনের সামনে ২০০৪ সালের ৭ মে কুচক্রীমহল গুলি করে হত্যা করে তাঁকে। ঐ প্রিয় শিক্ষকের গড়া স্কুল রক্তাক্ত হলো তাঁর নিজের রক্ত দিয়ে।হে মহান নেতা, তোমায় শ্রদ্ধা জানাই ।মহান রাব্বুল আলামিন উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুক সেই প্রার্থনা আমাদের সকলের ।  

 

সংগ্রহকৃত কিছু ছবি
 



 

আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সাথে আহসান উল্লাহ মাষ্টার
জেনেভা-শহরে-আইএলও-ILO-কনফারেন্সে-আহসান-উল্লাহ-মাস্টার





একটি ভিডিও লিঙ্ক নিচে দেখতে ক্লিক করুন
শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার
http://www.frequency.com/video/x/165270932

Monday, May 2, 2016

গাজীপুরের প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব স্বভাব কবি গোবিন্দচন্দ্র দাস এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

গোবিন্দচন্দ্র দাস(১৮৫৫-১৯১৮) – 
তাঁর জন্ম, জয়দেবপুর, ভাওয়াল-গাজীপুর,৪ মাঘ ১২৬১ (জানুয়ারি ১৮৫৫)। এক দরিদ্র কায়স্থ পরিবারে জন্ম । পাঁচ বছর বয়সে তাঁর পিতা রামনাথ দাসের পরলোক গমন করেন ।
ভাওয়াল–রাজ কালীনারায়ণ রায়ের অন্নে ও অনুগ্রহে লালিত-পালিত ও শিক্ষা প্রাপ্ত হন তিনি । জয়দেবপুর মাইনর স্কুল থকে ছাত্রবৃত্তি পাস করে ঢাকা মেডিকেল স্কুলে ভর্তি । শব ব্যবচ্ছেদের  ভয়ে চিকিৎসাবিদ্যালয় পরিত্যাগ করেন । ভাওয়ালের কুমার রাজেন্দ্রনারায়ণ রায়ের প্রাইভেট সেক্রেটারি নিযুক্ত । জনৈক প্রজাপীড়ক কর্মচারীকে ভাওয়াল-রাজ কর্তৃক কঠোর দন্ড প্রদান না করার প্রতিবাদে চাকরি ত্যাগ(১৮৭৭) করেন । কাজের সন্ধানে ময়মনসিংহ আগমন করেন। সুসঙ্গ -দুর্গাপুরের জমিদার মহারাজ কমলকৃষ্ণ সিংহের খাজাঞ্চি পদে নিযুক্ত লাভ(১৮৭৯) করেন । পরের বছর মুক্তগাছার জমিদার মহারাজ কেশবচন্দ্র আচার্য চৌধুরীর কার্যকারক নিযুক্ত(১৮৮০)  হন । ১৮৮২ সালে ময়মনসিংহ প্রবেশিকা বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পণ্ডিতের পদে যোগদান । স্কুলটি উঠে গেলে ময়মনসিংহ সাহিত্য সমিতির অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন । ১৮৮৪-তে শেরপুরে ‘চারুবার্তা’  পত্রিকার কার্যাধ্যক্ষের পদ গ্রহন করেন । ১৮৮৬-তে শেরপুরের জমিদার হরচন্দ্র রায়চৌধুরী কর্তৃক তাঁর জমিদারির কৃষি  বিভাগের ইন্সপেক্টর নিযুক্ত হন । ১৮৮৮-তে হরচন্দ্রের প্রাইভেট সেক্রেটারি  পদে যোগদান ।কলকাতার সাপ্তাহিক ‘নবযুগ’ পত্রিকায় ভাওয়ালের রাজা রাজেন্দ্রনারায়াণ রায় (কালীনারায়ণ রায়ের  মৃত্যুর পর উনি ই রাজা হন) ও রাজমন্ত্রী সুপ্রসিদ্ধ সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন ঘোষের অনেক অপ্রীতিকর প্রসঙ্গের অবতারণা করে এক প্রবন্ধ গোবিন্দচন্দ্রের রচিত বলে কালীপ্রসন্ন ঘোষ রাজার কর্ণগোচর করেন । গোবিন্দচন্দ্রের বক্তব্য অনুসারে কথিত প্রবন্ধটির লেখক  তিনি নন,অন্য কেউ । কালীপ্রসন্ন ঘোষের কথায় বিভ্রান্ত হয়ে রাজা তাঁকে জয়দেবপুর থেকে নির্বাসন দেন (ফেব্রুয়ারি-মার্চ ১৮৯২) । গোবিন্দচন্দ্র জয়দেবপুর ত্যাগ করে কর্মস্থল শেরপুর চলে যান । তিনি ‘মগের মুল্লুক’ (১৮৯২) নামে একখানি বঙ্গকাব্য রচনা করে তাঁকে তাঁর জন্মভুমি জয়দেবপুর থেকে অন্যায়ভাবে বিতাড়িত করার প্রতিশোধ নেন । ভাওয়াল রাজ্যের প্রজামণ্ডলীর উপর রাজার অমানুষিক পৈশাচিক কাহিনী এতে অগ্নিময়ী ভাষায় উপস্থাপিত । প্রথমা পত্নী সারদাসুন্দুরীর মৃত্যুর প্রায় সাত বছর পর বিক্রমপুরের ব্রাহ্মণগ্রামে শ্বশুরালয়ে গৃহ নির্মাণ করে তথায় বাস । ১৮৯৫-এ কলকাতায় নব্য ভারত প্রেসের কার্যাধ্যক্ষের পদ অংকৃত । ১৮৯৬-এ মুক্তগাছার জমিদার মহারাজ সুর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী কাশহাটি কাছারীর নায়েব নিযুক্ত । ১৮৯৮-এ বেগুনবাড়িকাছারীতে বদলি । ১৯০২-এ কর্মত্যাগ । আজীবন দরিদ্রাবস্থায় দিন যাপন । জীবনে ১০/১২ টি চাকরীতে নিয়োজিত ছিলেন । অব্যবস্থিত চিত্ততার জন্য কোন চাকরিই দীর্ঘকাল করতে পারেননি । স্বীয় ত্রুটির জন্য অনেকবার কর্মচ্যুত হয়েছেন । স্বভাব কবি হিসেবে খ্যাত । নারীভক্তি, পতি-পত্নীর প্রেম, ভ্রাতৃস্নেহ, সন্তানবাৎসল্য, বন্ধুপ্রীতি, গার্হস্থ্য জীবনের সুখ-দুখের কাহিনী, পল্লীজিবনের আলেখ্য, জাতীয় উদ্দিপনা ও স্বদেশপ্রেম তাঁর কবিতায় নিরাভরণ ভাষায় চিত্রিত । কবিতাগ্রন্থঃ প্রেম ও ফুল(১৮৮৭), কুস্কুম(১৮৯১), মগের মুল্লুক(১৮৯২), কস্তরী(১৮৯৫), চন্দন(১৮৯৬), ফুলরেণু(১৮৯৬), বৈজয়ন্তী(১৯০৫), শোক ও সান্ত্বনা(১৯০৯) ।
১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকায় মিটফোর্ট হাসপাতালে বিনা চিকিতসায় নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । 



তথ্যসূত্রঃ বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা -গাজীপুর 
পূর্ববর্তী পোষ্টঃ 

গাজীপুরের বনভূমি ও গাছপালা || বাংলাদেশ