Sunday, July 17, 2016

Tajuddin Ahmad || তাজউদ্দীন আহমদ || বঙ্গতাজ : স্মৃতিবিজরিত বসতবাড়ি

ভিডিওটি মূলত তাজউদ্দীন আহমদ এর জন্মস্হান কাপাসিয়ার দরদরিয়া গ্রামের বাড়ির চিত্র নিয়ে তৈরী করার চেষ্টা করেছিলাম গত বছর।এবছর ২৩শে জুলাই এ মহান নেতার ৯১ তম জন্মদিবস।জন্মদিবসে নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ভিডিওটি আবার আপলোডড করা হলো।

ক্যমেরা : বাপ্পী ও জনি

বিঃদ্রঃভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃস্টিতে দেখবেন আশাবাদী।।

Wednesday, July 13, 2016

MAKING OF PADDY FIELD || BEAUTIFUL BANGLADESH || AGRICULTURE

Saturday, June 4, 2016

কাপাসিয়ার কৃতি সন্তান আবদুল বাতেন খান ,বীর প্রতীক

স্বাধীনতার চার দশক উপলক্ষে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ধারাবাহিক এই আয়োজন।

আবদুল বাতেন খান, বীর প্রতীক
বীর যোদ্ধা
রাতে আবদুল বাতেন খান ও তাঁর সহযোদ্ধারা নিঃশব্দে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করেন। তারপর ক্ষিপ্রগতিতে এগিয়ে যান সামনে। তাঁদের লক্ষ্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাঁটি। রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানিদের মাইন ফিল্ডে পড়ে তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধা আহত হন। এতে তিনি দমে যাননি বা মনোবল হারাননি।
সব বাধা উপেক্ষা করে আবদুল বাতেন খান ও তাঁর সহযোদ্ধারা আক্রমণ করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীও প্রতিরোধ শুরু করে। গোলাগুলিতে রাতের আকাশ লাল হয়ে ওঠে। তুমুল যুদ্ধ চলতে থাকে। সকালে শত্রুসেনাদের ওপর তাঁরা বিপুল বিক্রমে চড়াও হন। তাঁদের বিক্রমে পাকিস্তানি সেনারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পাকিস্তানি সেনারা পেছন দিকে সরে যায়। নতুন স্থানে তারা অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে বিরাট এলাকা।
পরে পাকিস্তানি সেনারা নতুন শক্তি সঞ্চয় করে পাল্টা আক্রমণ চালায়। আবদুল বাতেন খানসহ মুক্তিযোদ্ধারা এমন আক্রমণের জন্য প্রস্তুতই ছিলেন। সাহসিকতার সঙ্গে তাঁরা পাকিস্তানিদের পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলা করেন। পাকিস্তানিরা তাঁদের অবস্থানে ব্যাপক হারে গোলা ছোড়ে। বিস্ফোরিত গোলার ছোট-বড় স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধা। কিন্তু তাঁরা দখল করা জায়গা থেকে সরে যাননি।
এ ঘটনা সালদা নদীতে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন সালদা নদী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত। ১৯৭১ সালে সালদা এলাকায় ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা। নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য পাকিস্তানিরা একপর্যায়ে সালদা রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে ঘাঁটি তৈরি করে। রেলস্টেশন এলাকার চারদিকে ছিল মাইন ফিল্ড এবং পর্যবেক্ষণ পোস্ট।
মুক্তিযুদ্ধকালে সালদা এলাকায় অসংখ্য যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা কয়েক দিন পরপর পাকিস্তানিদের আক্রমণ করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি তাঁরা বড় ধরনের আক্রমণ চালান। চূড়ান্ত আক্রমণের আগে পাকিস্তানিদের সব প্রতিরক্ষায় মুক্তিবাহিনীর মুজিব ব্যাটারির কামান দিয়ে অসংখ্য গোলা ছোড়া হয়। এর ফলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষার বিশেষত কয়েকটি বাংকারের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিভিন্ন স্থানে মাটির ওপরে ও নিচে ছিল পাকিস্তানিদের তিন স্তরের বাংকার।
সালদা নদী রেলস্টেশনের বাংকারগুলো ছিল রেলের বগি দিয়ে তৈরি। ওপরের স্তর যুদ্ধের জন্য। মধ্যম স্তর গোলাবারুদ রাখাসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য। নিচের স্তর ছিল বিশ্রামের জন্য। মুক্তিবাহিনীর ছোড়া কামানের গোলায় দু-তিনটি বাংকার সম্পূর্ণ ধ্বংস ও কয়েকটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গোলার আঘাতে কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিহত ও আহত হয়।
আবদুল বাতেন খান চাকরি করতেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘এ’ (আলফা) কোম্পানিতে। রেজিমেন্টের অবস্থান ছিল কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসে। তখন তাঁর পদবি ছিল ল্যান্স নায়েক। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি তাঁর ইউনিটের সঙ্গে শমশেরনগরে ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মেজর খালেদ মোশাররফের (বীর উত্তম, পরে মেজর জেনারেল) নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও মৌলভীবাজার জেলার কয়েক স্থানে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নেন। পরে দুই নম্বর সেক্টরের সালদা নদী সাবসেক্টরে যুদ্ধ করেন। ধনদইল গ্রাম, নয়নপুরসহ বিভিন্ন স্থানের যুদ্ধে অংশ নেন।
মুক্তিযুদ্ধে সাহস ও বীরত্বের জন্য আবদুল বাতেন খানকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়। ১৯৭৩ সালের গেজেট অনুযায়ী তাঁর বীরত্বভূষণ নম্বর ১১০। গেজেটে তাঁর নাম আবদুল বাতেন।
আবদুল বাতেন খান স্বাধীনতার পর ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে হাবিলদার হিসেবে অবসর নেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার আড়াল (মিয়াবাড়ি) গ্রামে। বর্তমানে তিনি এখানেই বসবাস করেন। তাঁর বাবার নাম সামসুদ্দিন খান, মা হাসুনি বেগম। স্ত্রী হেনা বেগম। তাঁদের দুই ছেলে, দুই মেয়ে।
সূত্র: আবদুল বাতেন খান বীর প্রতীক, মেজর (অব.) ওয়াকার হাসান বীর প্রতীক, আমিনুল ইসলাম এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ সেক্টরভিত্তিক ইতিহাস, সেক্টর ২।
গ্রন্থনা: রাশেদুর রহমান 

rashedtৎ@prothom-alo.info

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো ও  মৌমিতা সেন

Friday, June 3, 2016

কাপাসিয়ার শহীদ মোঃ দৌলত হোসেন মোল্লা বীর বিক্রম

স্বাধীনতার চার দশক উপলক্ষে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ধারাবাহিক আয়োজন থেকে সংগ্রহ কৃত।

শহীদ মো. দৌলত হোসেন মোল্লা, বীর বিক্রম
নির্মমভাবে হত্যা করা হলো তাঁকে
ভারতের হলদিয়া নৌবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করল মুক্তিবাহিনীর দুটি জাহাজ ‘পদ্মা’ ও ‘পলাশ’। পলাশ জাহাজে আছেন মো. দৌলত হোসেন মোল্লা। তিনি জাহাজের ক্রুম্যান। তাঁদের লক্ষ্য, খুলনায় পাকিস্তানি নৌঘাঁটি দখল করা। মুক্তিবাহিনীর দুটি জাহাজের সঙ্গে আছে মিত্রবাহিনীরও একটি জাহাজ। খুলনার রূপসা নদীতে শিপইয়ার্ডের কাছাকাছি আসামাত্র ঘটল এক আকস্মিক বিপর্যয়। এ সময় আকাশে দেখা গেল তিনটি জঙ্গি বিমান। সেগুলো জাহাজের ওপর চক্কর দিয়ে চলে গেল সাগরের দিকে। তারপর আবার এগিয়ে এল জাহাজগুলো লক্ষ্য করে। বোমা বর্ষণ করল। প্রথম ধাক্কাতেই বিধ্বস্ত হলো পদ্মা। পলাশের ইঞ্জিনরুমে জ্বলছে দাউ দাউ আগুন। একটু পর পলাশও ডুবতে থাকল। ডেকে শহীদ নৌমুক্তিযোদ্ধাদের লাশ পড়ে আছে। আহত যোদ্ধারা কাতরাচ্ছেন মৃত্যুযন্ত্রণায়। গুরুতর আহত মো. দৌলত হোসেন মোল্লা অনেক কষ্টে পানিতে ঝাঁপ দিলেন।
এ ঘটনা ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বরের। জাহাজ দুটি ভারত থেকে রওনা হয় ৭ ডিসেম্বর। সেদিন দুপুরে পৌঁছে খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে। মিত্রবাহিনীর বিমান শত্রু পাকিস্তানিদের জাহাজ ভেবে ভুল করে পদ্মা ও পলাশ জাহাজে বোমাবর্ষণ করে। আত্মঘাতী এই বোমা হামলায় দুটি জাহাজেরই সলিলসমাধি হয়। এতে অনেক নৌমুক্তিযোদ্ধা শহীদ ও গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত মো. দৌলত হোসেন মোল্লা, রুহুল আমিন (বীরশ্রেষ্ঠ), সিরাজুল মওলা (বীর উত্তম), আফজাল মিয়া (বীর উত্তম)সহ আরও কয়েকজন সাঁতরে নদীতীরে যান। কিন্তু সেখানে তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিল আরেক বিপদ। নদীতীরের বিভিন্ন স্থানে ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী রাজাকার। মো. দৌলত হোসেন মোল্লা নদীতীরের যে স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হন, সেখানে তিনি একটু পর দেখতে পান তাঁর সহযোদ্ধা আহত সিরাজুল মওলাকে। আহত দৌলত হোসেন নদীতীরে পড়ে ছিলেন। তিনি মারাত্মক আহত হয়েছিলেন। ক্রলিং করে বা হেঁটে যেতে পারছিলেন না। দৌলত মওলাকে বলেন, ‘আমার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। সন্তানের মুখটা দেখা হলো না।’ আহত মওলা চেষ্টা করেছিলেন মো. দৌলত হোসেন মোল্লাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু পারেননি। মওলা সামনে যেতে সক্ষম হন। তিনি বেঁচে যান। মো. দৌলত হোসেন মোল্লাকে পরে রাজাকাররা ধরে ফেলে। আহত দৌলত হোসেনকে রাজাকাররা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। রুহুল আমিনকেও একই ভাগ্য বরণ করতে হয়।
মো. দৌলত হোসেন মোল্লা চাকরি করতেন পাকিস্তান নৌবাহিনীতে। ১৯৭১ সালের মার্চে ছুটিতে বাড়িতে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধে। মুক্তিবাহিনীর নৌ উইংয়ে যোগ দেওয়ার আগে স্থলযুদ্ধেও অংশ নেন। অক্টোবরে মুক্তিবাহিনীর নৌ উইং গঠিত হলে পলাশ গানবোটে তাঁকে গান ক্রুম্যান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর কয়েকটি নৌ অপারেশনে তিনি অংশ নেন।
মুক্তিযুদ্ধে সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য মো. দৌলত হোসেন মোল্লাকে মরণোত্তর বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়। ১৯৭৩ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী তাঁর বীরত্বভূষণ নম্বর ১২৮। গেজেটে নাম মো. এইচ. মোল্লা।
শহীদ মো. দৌলত হোসেন মোল্লার পৈতৃক বাড়ি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার চরখামের গ্রামে। বাবার নাম মো. আয়েত আলী মোল্লা। মা তাহেরা খাতুন। স্ত্রী আমেনা বেগম। তাঁর এক মেয়ে। স্ত্রী ও মেয়ে বর্তমানে ঢাকার ৪২৯ নয়াটোলায় (চেয়ারম্যান গলি) বসবাস করেন।
সূত্র: স্মৃতি বেগম (মো. দৌলত হোসেন মোল্লার মেয়ে) এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ব্রিগেডভিত্তিক ইতিহাস।
 
গ্রন্থনা: রাশেদুর রহমান
 
trrashed@gmail.com


Wednesday, May 25, 2016

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম ও প্রতিষ্ঠা সাল

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম ও প্রতিষ্ঠা সাল
v ঢাকা —             ১৭৭২ সাল।
v মুন্সীগঞ্জ —          ১৯৮৪ সাল।
v নরসিংদী –         ১৯৮৪ সাল।
v নারায়ণগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v মানিকগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v ময়মনসিংহ —       ১৭৮৭ সাল।
v গাজীপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v কিশোরগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v জামালপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v শেরপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v নেত্রকোণা —        ১৯৮৪ সাল।
v টাঙ্গাইল —          ১৯৬৯ সাল।
v ফরিদপুর —         ১৮১৫ সাল।
v গোপালগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v শরীয়তপুর –        ১৯৮৪ সাল।
v মাদারীপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v রাজবাড়ি —         ১৯৮৪ সাল।
v চট্টগ্রাম —           ১৬৬৬ সাল।
v কক্সবাজার –        ১৯৮৪ সাল।
v বান্দরবন —         ১৯৮১ সাল।
v রাঙামাটি –          ১৮৬০ সাল।
v রাঙামাটি—           ১৮৬০ সাল।
v খাগড়াছড়ি —        ১৯৮৪ সাল।
v ফেনী –              ১৯৮৪ সাল।
v ব্রাহ্মণবাড়িয়া –       ১৯৮৪ সাল।
v চাঁদপুর —           ১৯৮৪ সাল।
v রাজশাহী –          ১৭৭২ সাল।
v নাটোর –            ১৯৮৪ সাল।
v নওগাঁ –             ১৯৮৪ সাল।
v নওয়াবগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v বগুড়া —            ১৮২১ সাল।
v পাবনা —            ১৮৩২ সাল।
v সিরাজগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v জয়পুরহাট —        ১৯৮৪ সাল।
v রংপুর —            ১৮৭৭ সাল।
v লালমনিরহাট –      ১৯৮৪ সাল।
v কুড়িগ্রাম –           ১৯৮৪ সাল।
v নীলফামারী –        ১৯৮৪ সাল।
v গাইবান্ধা—           ১৯৮৪ সাল।
v পঞ্চগড় —           ১৯৮০ সাল।
v দিনাজপুর—         ১৭৮৬ সাল।
v খুলনা —            ১৮৮২ সাল।
v ঠাকুরগাঁও —        ১৯৮৪ সাল।
v সাতক্ষীরা —         ১৯৮৪ সাল।
v বাগেরহাট —        ১৯৮৪ সাল।
v যশোর —            ১৭৮১ সাল।
v ঝিনাইদহ —         ১৯৮৪ সাল।
v নড়াইল—            ১৯৮৪ সাল।
v মাগুরা —            ১৯৮৪ সাল।
v কুষ্টিয়া—             ১৮৬৩ সাল।
v চুয়াডাঙ্গা —          ১৯৮৪ সাল।
v মেহেরপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v বরিশাল –           ১৭৯৭ সাল।
v ঝালকাঠি —         ১৯৮৪ সাল।
v পিরোজপুর –        ১৯৮৪ সাল।
v পটুয়াখালী –         ১৯৮৪ সাল।
v বরগুনা —           ১৯৮৪ সাল।
v ভোলা —            ১৯৮০ সাল।
v সিলেট —            ১৭৭৫ সাল।
v হবিগঞ্জ —           ১৯৮৪ সাল।
v মৌলভীবাজার –      ১৯৮৪ সাল।
v নোয়াখালী –         ১৮২১ সাল।
v লক্ষীপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v কুমিল্লা —           ১৭৯০ সাল।
vচাঁদপুর —           ১৯৮৪ সাল।

Tuesday, May 24, 2016

কাপাসিয়ার গর্ব জনাব এম এ কাদের সরকার


  • জনাব এম এ কাদের সরকার ১৯৫৮ সনে ১ জানুয়ারী তারিখে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বরুন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  •  তিনি কৃতিত্বের সাথে কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস,এস,সি এবং ঢাকা কলেজ, ঢাকা থেকে এইচ,এস,সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল,বি (অনার্স) এবং এল এল, এম ডিগ্রী লাভ করেন।
  •  চাকুরী জীবনে প্রথমে তিনি  বিসিএস (জুডিশিয়াল) ক্যাডারে যোগদান করেন। জুডিশিয়াল ক্যাডারে কিছুদিন চাকুরী করার পর ১৯৮২ সালে (নিয়মিত) ব্যাচে বিসিএস  (কর) ক্যাডারে যোগদান করেন।
  •  চাকুরী জীবনে তিনি বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক (অর্থ), বিভিন্ন কর অঞ্চলের কর কমিশনার এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া তিনি দেশে-বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন সেমিনার ও ওয়ার্কশপে অংশ গ্রহণ করেছেন।
  •  জনাব এম এ কাদের সরকার বিগত ১৩/০৫/২০১৩ ইং তারিখে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে যোগদান করেন এবং ২৪/১১/২০১৩ তারিখে সচিব হিসেবে একই বিভাগে নিয়োগ লাভ করেন।
  • ২০/০৩/১৬ তারিখে  বস্ত্র   পাট  মন্ত্রণালয়ের  সচিব  হিসেবে যোগদান করেন।






  • ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত  ও দুই সন্তানের জনক। একমাত্র মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে  অনার্স ও মাস্টার্স করে  বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে যোগদান করেছেন এবং একমাত্র ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ (ফিন্যান্স) এ তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছেন।
  • সামাজিক জীবনে তিনি বর্তমানে অফিসার্স ক্লাব, ঢাকার নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান, বিসিএস ৮২ ফোরামের মহাসচিব, বিসিএস ট্যাকসেস অফিসার্স হাউজিং সমিতির সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই এসোসিয়েশনের  জীবন সদস্য এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুরের সরকার মনোনীত সিন্ডিকেট সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জীবন সদস্য,বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির জীবন সদস্য, কাপাসিয়া উপজেলার বরুন উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির  ১৮ বৎসর যাবত সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।



  • ভ্রমণ, ফটোগ্রাফি ও জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর আগ্রহ রয়েছে ।তিনি কাপাসিয়ায়  অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন এবং করে যাচ্ছেন বিশেষ করে নিজ গ্রাম বরুনে উনার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকুক ্সেই প্রত্যাশা আমাদের সকলের ।


Sunday, May 22, 2016

কপালেশ্বর বড় দিঘী | টোক, কাপাসিয়া

কপালেশ্বর বড় দিঘী টোক, কাপাসিয়া
টোক ইউনিয়নের পশ্চিম দক্ষিণে কপালেশ্বর গ্রামে পাশাপাশি কয়েকটি বড় দিঘী আছে। কপালেশ্বরের দিঘীর পাড় দিয়ে একটি ইটের সড়ক টোক পর্যন্ত গিয়েছে । কপালেশ্বর বাজারের বড় দিঘীর উত্তর পার থেকে পূর্বে ও উত্তরে মাটির নীচে গর্ত খুঁড়লে ইটের রাস্তা পাওয়া যাবে বলে অনেকের ধারনা।
লোকমুখে কথা এসব পুকুর থেকে নাকি থালা-বাসন ও উঠতো।
ছবি - মাসুম
কপালেশ্বর বড় দিঘী

Thursday, May 19, 2016

গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি মিউজিয়াম থাকা আবশ্যক!!

গাজীপুর ডিসি অফিসের পাশে গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি "মিউজিয়াম" থাকা আবশ্যক। সেই সাথে সরকারী- বেসরকারি বিনিয়োগে গাজীপুরের প্রত্নস্থানগুলি সংস্কার ও সংরক্ষণ করে পিকনিক স্পট, শিক্ষা ও বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

প্রত্নস্থানগুলি হলো... 
  • ভাওয়াল রাজবাড়ীর কিছু অংশ- (এটি আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • শ্রীপুর, মাওনার নিকট ইন্দ্রাকপুর (প্রাচীন রাজধানী)- এটা প্রায় ১১শত বছরের পুরনো।
  • বলধার জমিদার বাড়ী, বাড়ীয়া- (এটা আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • টোক শাহী মসজিদ, কাপাসিয়া- (এটা প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো)।
  • পূবাইল জমিদার বাড়ী, পূবাইল- এগুলো অনু:২৫০ বছরের পুরনো)।
  • সেন্ট নিকোলাস চার্চ, কালীগঞ্জ- (অনু: তিনশত বছরের পুরনো)।
  • বলিয়াদী জমিদার বাড়ী -(আড়াইশত বছর)।
  • ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী- (আড়াইশত বছর),জয়দেবপুর।
  • শৈলাট, শ্রীপুর- (১১ শত বছরের পুরনো)।
  • কাশিমপুর জমিদার বাড়ী, গাজীপুর সদর-(আড়াইশত বছর)।
  • দত্তপাড়া জমিদার বাড়ী, টঙ্গী- (আড়াইশত বছর)।
  • কপালেশ্বর (ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরাকীর্তি)-১১শত বছরের পুরনো।
  • রাজা শিশু পালের রাজধানী একডালা দুর্গ, কাপাসিয়া-(১২শত বছরের পুরনো)।
  • মীর জুমলার সেতু, টঙ্গী- (সারে তিনশত বছরের পুরনো)।
  • সাকাশ্বর স্তম্ভ, কালিয়াকৈর- এটা আড়াই হাজার বছরের পুরনো, সম্রাট আশোকের আমলে নির্মিত


এছাড়া কাপাসিয়াতে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ বছররের পুরনো স্থাপনা উদ্ধার করে পর্যটনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এসব পুরাকীর্তির পাশেই আছে ঐতিহাসিক দীঘি। এগুলো সংস্কার করে অতীতকে উদ্ধার করা হোক এবং গাজীপুর জেলাকে পর্যটন জেলায় রূপান্তরিত করা হোক।

তথ্য সংগ্রহঃ জাকির হোসাঈন

Monday, May 16, 2016

ঘাগটিয়া চালা উচ্চ বিদ্যালয়ের ফকির নুরুজ্জামান বাদল ও ডাঃ মামুনের স্মৃতিচারণ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৪/০৬/২০১৬ ইং রোজ শনিবার ঘাগটিয়া চালা উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে ঘাগটিয়া চালা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী পুনর্মিলনী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী জনাব ফকির নুরুজ্জামান বাদল স্যার ও প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থী মরহুম ডাঃ মামুনুর রশিদ মামুন এর অকাল মৃত্যুতে স্মৃতিচারণ,মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও পুনর্মিলনী পরিষদের আহবায়ক জনাব আলী আকবর বিএসসির সভাপতিত্বে প্রাক্তন শিক্ষার্থী মাহবুব এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারন করেন পুনর্মিলনী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা সাদেকুর রহমান সাত্তার,উপদেষ্টা রাজু আহমেদ,সদস্য সচিব নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহিনূর আলম সেলিম,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনারুজ্জামান ,সহকারী শিক্ষক খুরশেদুল আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব সিরাজ উদ্দীন সিরাজ, আতিকুল ইসলাম রিংকু, সমাজ সেবক তারেক হোসেন রিপন, রেজাউল হক মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ,প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক(বাদল স্যারের ক্লাসমেট),সালামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মনিরুজ্জামান মহসিন,ঘাগটিয়া চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মনির মাষ্টার,আতাহার হোসেন মাষ্টার, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্য থেকে তোফাজ্জল হোসেন,আসাদুজ্জামান আসাদ,জাহাঙ্গীর আলম(ডাঃ মামুন এর ক্লাশমেট),রাসেল সরকার,আতিকুল ইসলাম প্রমুখ আলোচনা রাখেন। আলোচনায় বক্তারা স্মৃতিচারন করতে গিয়ে বলেন বাদল স্যার ছিলেন অসাধারণ মেধাবী ,বিচক্ষণ ,দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন।তিনি যে কোন গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। তিনি সদা হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন। তিনি কারো কোন সমস্যায়/কাজে বিরক্ত হতেন না বরং সুন্দরভাবে তা সম্পন্ন করে দিতেন।বিদ্যালয়ের যদি কোন কাজে প্রধান শিক্ষক সাহস না পেতেন সেই কাজ তিনি সাহসিকতার সাথে সম্পন্ন করতে পারতেন। উল্লেখ্য মৃত্যুর দিন সকালে তিনি বিদ্যালয়ে অফিস করতে আসেন হঠাৎ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে সহকারি প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক স্যারের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে নরসিংদী ডাক্তার দেখাতে যান এবং হাসপাতালেই উনি মৃত্যুবরণ করেন।

৩০/১২/২০১৪ ইং রোজ মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ থেকে ১৬ মাস আগে অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন মেধাবী শিক্ষার্থী ডাঃ মামুনুর রশিদ মামুন মৃত্যু বরন করেন।তিনি অত্র বিদ্যালয়ের ১৯৯৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কাপাসিয়া উপজেলায় প্রথম হয়েছিলেন।উনি নটরডেম কলেজ ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে পড়াশুনা শেষ করে তিনি বিসিএস ক্যাডার উত্তীর্ণ হন এবং সিলেটে ছিল উনার কর্মস্থল।উনি এই সভার সভাপতি আলী আকবর বিএসসি সাহেবের জ্যৈষ্ঠ পুত্র। উনি খুবই নম্র,ভদ্র,নামাজি ছিলেন।উনি মানুষের সেবা দিতে ভালবাসতেন।তিনি ছিলেন এলাকার মানুষের জন্য নিবেদিত প্রান।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন আমি বিদ্যালয়ে যখন জয়েন করি সহকারী শিক্ষক হিসেবে তখন পেয়েছিলাম বাদলদের ব্যাচকে আর যখন আমি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে জয়েন করি তখন পেয়েছিলাম এই মামুনদেরকে যখন তাদের নির্বাচনী পরীক্ষা চলছিল।এই বিদ্যালয়ের জুনিয়র স্কলারশীপ পাওয়া শুরু হয় মামুনের মাধ্যমে। কেউ কোন সমস্যায় পড়ে ফোন দিলে মামুন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিত।উনার মৃত্যুতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে পরিবার ও এলাকার মানুষ ।উনি বেচে থাকলে সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারত।সমাজ দুইজন ত্যাগী মানুষকে হারাল একজন বিদ্যালয়ের আমৃত্যু সেবা দিয়ে গেছেন আরেকজন সমাজ ও দেশের সেবা করে গেছেন।উনাদের পরিবারের হাতে একটি করে জায়নামাজ তুলে দেন ঘাগটিয়া চালা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পুনর্মিলনী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা এস এম সাদেকুর রহমান সাত্তার।অনুষ্ঠানের সভাপতি জনাব আলী আকবর বিএসসি এর স্মৃতিচারনের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। সভা শেষে উনাদের রূহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন ঘাগটিয়া ছালামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মনিরুজ্জামান মহসিন ।
ছবির এলব্যাম দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন
https://www.facebook.com/media/set/?set=a.1372417272785066.1073741829.262234513803353&type=3

Sunday, May 15, 2016

শিক্ষা সপ্তাহে কাপাসিয়ায় শ্রেষ্ঠ হলেন যারা!!

শিক্ষা সপ্তাহে কাপাসিয়ায় শ্রেষ্ঠ হলেন যারা!!
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি : জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে কাপাসিয়া উপজেলায় মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ শরীফ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ডিগ্রি কলেজ এর মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক উপজেলার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল্লাহ আজাদ ও অন্যান্যরা।

গত ১২ মে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপি অনুষ্ঠানে কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন শরীফ মমতাজ উদ্দীন আহমেদ ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ মো: তাজ উদ্দিন, রেজাউল হক বি এম কলেজ অধ্যক্ষ মো: বদরুজ্জামান পারভেজ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শামীম আহমেদ, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম, প্রভাষক নাহিদ সুলতানা, প্রভাষক আলী এরশাদ হোসেন আজাদ, প্রভাষক মোজাম্মেল শেখ, কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ফাইজ উদ্দিন ফকির, ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শহীদুল্লাহ আজাদ, শিক্ষক রেজিয়া আখতার, শিল্পী মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ জানান, উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, অধ্যক্ষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শ্রেণি শিক্ষক, স্কাউট দল, স্কাউট শিক্ষক, শিল্পী, আবৃত্তিকার, বক্তা নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিতরা হলেন- কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা প্রধান বিল্লাল হোসাইন, শেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক খুরশিদ আলম, স্কুল পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক শাহীনা রেজা, শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক আওলাদ হোসেন নয়ন, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ফাহিমা রহমান খান, শ্রেষ্ঠ শিল্পী আবদুল্লাহ আল মামুন, শ্রেষ্ঠ শিল্পী ফারহানা আলম যুথী, শ্রেষ্ঠ শিল্পী তাজমিন নাহার শ্রেষ্ঠ শিল্পী মমতাজ আলম বিথী, শ্রেষ্ঠ বক্তা হুময়রা রহমান মীম, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ মাদরাসা রাউৎকোনা ফাযিল মাদরাসা, শ্রেষ্ঠ স্কাউট দল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় হাইলজোড়।

জানা যায়, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক শহীদুল্লাজ আজাদ বাঘিয়া সরকারি বিদ্যালয়, লোহাদী উচ্চ বিদ্যালয়, কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে বের হয়ে ১৯৯০ সালে শিক্ষকতা পেশায় শুরু করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে ২০০৪ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। শহীদুল্লাহ আজাদ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে প্রয়াত শিক্ষক আকতারুজ্জামান সিকদার (জামান) ও প্রধান শিক্ষক মো: মহসীন স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।